পরিবারের একমাত্র সন্তান মোশাররফ হোসেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বাবার পরিবারে বেড়ে ওঠা মোশাররফের স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পরিবারের উন্নতি করা। সেই স্বপ্ন নিয়েই ২০২৩ সালে প্রায় ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ব্যয়ে ওমানে পাড়ি জমান।
ওমানে তিনি নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করলেও নিয়মিত বেতন না পাওয়া, কঠিন কর্মপরিবেশ এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে এক বছর পর ২০২৪ সালে দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। দেশে ফিরে ব্যর্থতার চাপ, পারিবারিক ও সামাজিক হতাশা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়।
ঠিক সেই সময় ”RAISE প্রকল্প” তার পাশে দাঁড়ায়। তিনি প্রকল্পের আওতায় মনোসামাজিক কাউন্সেলিং, ব্যবসা উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ এবং ১৩,৫০০ টাকা প্রাথমিক অনুদান গ্রহণ করেন। অনুদানের অর্থের সঙ্গে নিজের সামান্য সঞ্চয় যুক্ত করে একটি ছোট মুদি দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে মোশাররফ একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। নিজের ব্যবসার মাধ্যমে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করছেন এবং স্বাবলম্বী জীবন গড়ে তুলেছেন।
মোশাররফের ভাষায়, "RAISE প্রকল্প আমাকে শুধু ব্যবসার সুযোগই দেয়নি, দিয়েছে নতুন করে বাঁচার আত্মবিশ্বাস। আজ আমি আবার নিজের স্বপ্ন দেখতে শিখেছি। বিদেশফেরত অভিবাসী কর্মীদের টেকসই পুনর্বাসন, দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নতুন জীবনের পথ তৈরি করে দিচ্ছে RAISE প্রকল্প।